১৪ই ডিসেম্বর, ২০২৫ বৌদ্ধ ধর্মাংকুর সভাগৃহে অনুষ্ঠিত হলো “বাংলার মন,পুনে”-র চতুর্থ বার্ষিক অনুষ্ঠান।
প্রথমেই সম্পাদিকা শ্রীমতি কল্যাণী রায় সান্যাল অন্যান্য এডমিন-দের সাথে নিয়ে ও উপস্থিত বিশিষ্ট অতিথি শিল্পী শ্রী গৌতম মিত্রর সহোযোগিতায় প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করেন। তারপর সভাপতি ডক্টর চিত্রলেখা চৌধুরীর অনুপস্থিতি র জন্য অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন শ্রীমতী কল্যাণী রায় সান্যাল যিনি একাধারে কাউন্সেলিং সাইকোলজিস্ট, রবীন্দ্র সঙ্গীত শিল্পী ও লেখিকা ও অন্যান্য এডমিন রা। সম্পাদিকা তার ভাষণের পরে তাঁর স্বরচিত কবিতা “কুয়াশাদের সাথে” পাঠ করেন। তারপর উদ্বোধনী সঙ্গীত – “জগতে আনন্দযজ্ঞে” অত্যন্ত সফলভাবে পরিচালনা করেন শ্রীমতী কল্যাণী রায় সান্যাল।
তারপর একে একে মঞ্চে আসেন শ্রী গৌতম মিত্র, শ্রী অংশু সেন, শ্রী বল্লরি বাগচী, শ্রী ভাস্কর রায়, শ্রী উৎসব দাস।
গৌতম মিত্রর পরিবেশনে ছিলো- “কবে আমি বাহির হলেম তোমারি গান গেয়ে”। সৌমিত্র ব্যানার্জির পরিবেশনায় ছিলো – “আসা যাওয়ার পথের ধারে ও সংসার যবে” মন কেড়ে লয়। অংশু সেন গান- “এ পথ গেছে কোনখানে ও সে কোন পাগল ধায়”। উৎসব দাস পরিবেশন করেন – “তাই তোমার আনন্দ আমার পর”।
গ্রুপের শিল্পীদের মধ্যে শ্রী অর্ক সান্যালের – “আমি যামিনী তুমি শশী হে”, ডক্টর পার্থজিৎ সেনগুপ্তের “খিড়কি থেকে সিংহদুয়ার”, হিমাদ্রি মুখার্জির “নতুন প্রভাত জাগো সময় হলো”, সৌপ্তিক মুখার্জির গাওয়া “আলোকের এই ঝর্ণাধারায়”, কল্যাণী রায় সান্যাল-এর গাওয়া “হিমগিরি ফেলে নীচে নেমে এলে”, শিপ্রা বসুর গাওয়া “শিউলি ফোটা ফুরলো”, মহুয়া চন্দ্রর গাওয়া – “সেদিন আমায় বলেছিলে”, শম্পা বটব্যাল এর আবৃত্তি, তাপসী আচার্য র স্বরচিত কবিতা – “একদিন চোখের তারায় স্বপ্ন এসে ঠিক বসবে”, বৈশাখী কুন্ডুর নাচের মাধ্যমে সরস্বতী বন্দনা, সুদীপ্তা দাস ব্যানার্জির ‘নবান্ন’ উপলক্ষে কবিতা,মানসী দে র কবিতা ‘নববর্ষ’, ভাস্বতী দাসএর “শীতের বনে”, চম্পা মিত্রর আঞ্চলিক গান, সবই মন ছুঁয়ে যায়। এছাড়াও বন্দনা সিনহা, কাকলী দাস, অঞ্জিতা দে, অঞ্জনা দাস, মধুমিতা ঘোষ ভট্টাচার্য, এর গান মন ছুঁয়ে গেছে। পত্রলেখা রীনা, ডক্টর চিত্রলেখা চৌধুরীর কন্যা পরিবেশনা ও অনিতা রায়-এর পরিবেশনা খুব সুন্দর ছিলো।
সঞ্চালনায় ছিলেন নন্দিনী লাহা।


