

প্রজ্ঞন ফাউন্ডেশন ১৮ নভেম্বর, ২০২৫ তারিখে জাতীয় প্রকৃতিচিকিৎসা দিবসকে কেন্দ্র করে এক অর্থবহ ও অনুপ্রেরণাদায়ক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। কলকাতায় অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে প্রকৃতিচিকিৎসা ও সমন্বিত স্বাস্থ্যচর্চার প্রসারে নিবেদিত বিশিষ্ট চিকিৎসক, গবেষক, অনুরাগী ও গণ্যমান্য ব্যক্তিত্বদের এক মেধাবী সমাগম ঘটে।
প্রজ্ঞন ফাউন্ডেশনের সভাপতি ড. এস. কে. আগরওয়াল তাঁর বক্তব্যে প্রকৃতিচিকিৎসাকে “একটি অনন্য, প্রকৃতি-নির্ভর স্বাস্থ্যপদ্ধতি, যা সামগ্রিক সুস্বাস্থ্য ও মঙ্গলকে এগিয়ে নিয়ে যায়” বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, প্রকৃতির সঙ্গে সঙ্গতি রেখে জীবনযাপন এবং প্রতিরোধমূলক, সুষম জীবনধারা গ্রহণ করলেই সত্যিকারের সুস্থতা অর্জন সম্ভব। ড. আগরওয়াল সকলকে যোগ ও প্রকৃতিচিকিৎসাকে জীবনচর্চার অংশ হিসেবে গ্রহণ করার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ড. এ. পি. মৌর্য, সনাতন মহাকুদ, ড. মধুরিমা দাসগুপ্ত, অ্যাডভোকেট বাসুদেব আগরওয়াল, প্রফেসর ড. সীमा সিংহ, আশীষ বসাক, পার্থ প্রতিম বোস, অ্যাডভোকেট সौरভ চৌধুরী, রাণু রায়, গীতা সিনহা, সরিতা জয়সওয়াল, সুরেশ গুপ্ত, মধুমিতা গাঙ্গুলি, রত্না সেন, লিপিকা লুনিয়া, সুশীল এম. শাহসহ বহু বিশিষ্ট অতিথি। তাঁদের উপস্থিতি আলোচনা ও কার্যক্রমে বিশেষ মাত্রা যোগ করে এবং প্রাকৃতিক স্বাস্থ্যব্যবস্থার প্রসারে সম্মিলিত অঙ্গীকারকে আরও দৃঢ় করে।
অনুষ্ঠানে ছিল অন্তর্দৃষ্টিপূর্ণ বক্তব্য, ইন্টারঅ্যাকটিভ সেশন এবং প্রদর্শনী, যেখানে দৈনন্দিন জীবনে প্রকৃতিচিকিৎসার কার্যকর প্রয়োগ তুলে ধরা হয়। বক্তারা আধুনিক জীবনের মানসিক চাপ, জীবনধারাজনিত রোগ এবং প্রচলিত চিকিৎসার ওপর অতিমাত্রায় নির্ভরতার প্রেক্ষাপটে প্রাকৃতিক চিকিৎসার বাড়তি গুরুত্ব তুলে ধরেন। পুষ্টি, প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসুরক্ষা, যোগ ও প্রকৃতিচিকিৎসার সমন্বিত উপকারিতা নিয়ে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে আকর্ষণীয় আলোচনা হয়।
প্রজ্ঞন ফাউন্ডেশনের এই উদ্যোগ আবারও প্রমাণ করল যে সামগ্রিক স্বাস্থ্যচর্চা ও প্রকৃতি-ভিত্তিক আরোগ্য পদ্ধতির প্রসার আজ অত্যন্ত জরুরি। মানুষকে শরীর ও মনের সুস্থিতির দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার মতো টেকসই স্বাস্থ্যচর্চার বার্তা পৌঁছে দিতে প্রতিষ্ঠানটি তার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করল।




